Warning: Creating default object from empty value in /home/burigangatv/public_html/wp-content/themes/BreakingNews/lib/ReduxCore/inc/class.redux_filesystem.php on line 29
নিখোঁজ সাবমেরিনে আর ১০ ঘণ্টার কম অক্সিজন আছে - বুড়িগঙ্গা টিভি নিখোঁজ সাবমেরিনে আর ১০ ঘণ্টার কম অক্সিজন আছে - বুড়িগঙ্গা টিভি
  1. ashiqnur96@gmail.com : editor :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিমসটেক সম্মেলনে নৈশভোজে ড. ইউনূসের পাশে বসলেন নরেন্দ্র মোদি ধলেশ্বরী নদী থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১৪ নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২ হাজার ৭১৯ জন, পানি এবং আশ্রয়ের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে সাংবাদিক ইউসুফ আলীর বাবার ইন্তেকাল জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন রাজধানীতে সুলতানি মোঘল আমলের কায়দায় শুরু হয়েছে ঈদ আনন্দ মিছিল যে ঐক্য তৈরি হয়েছে স্থায়ীভাবে সেই ঐক্য গড়ে তুলতে চাই : প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূস শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মিয়ানমারে জরুরি সেবা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর উদ্ধারকারী দল চার দিনের চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধান উপদেষ্টা

নিখোঁজ সাবমেরিনে আর ১০ ঘণ্টার কম অক্সিজন আছে

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩

আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে নিখোঁজ সাবমেরিন টাইটান থেকে আবারও শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কোস্ট গার্ড। এ অবস্থায় সাবমেরিনটিকে শনাক্ত করতে চলমান তল্লাশি অভিযানের আওতা আরও বাড়ানো হচ্ছে। খবর বিবিসির।

এদিকে পূর্বের অনুমান অনুযায়ী, নিখোঁজ এ সাবমেরিনে আর ১০ ঘণ্টার কম অক্সিজেন অবশিষ্ট আছে। মার্কিন কোস্ট গার্ড-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তল্লাশির সময় আরও শব্দ শোনা গেছে, কিন্তু আসলে সেসব শব্দ কী তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

ক্যাপ্টেন জেমি ফ্রেডরিক উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এখনো আশাবাদী।’

এর আগে, গত রোববার আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিকের ধ্বংসস্তূপ দেখার জন্য পানির নিচে যাওয়ার এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর মাদার ভেসেল পোলার প্রিন্স থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় টাইটান। এরপরই শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।
১৯১২ সালে যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করে টাইটানিক। প্রথম সমুদ্রযাত্রায় মাঝপথে বিশাল বরফখণ্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় তৎকালীন বিশ্বের বৃহত্তম যাত্রীবাহী জাহাজটি। ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় দেড় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

 

আটলান্টিক সাগরের যে এলাকায় বর্তমানে অবস্থান করছে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ, সেটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২ হাজার ৫০০ ফুট গভীরে। সাগরের গভীরে এই ধ্বংসাবশেষটি দেখতেই ওশনগেট নামের একটি সাবমেরিনে চেপে রওনা হন চালকসহ মোট পাঁচজন।

যাত্রীরা হলেন- ব্রিটিশ ব্যবসায়ী হামিশ হার্ডিং (৫৮), ব্রিটিশ-পাকিস্তানি ব্যবসায়ী শাহজাদা দাউদ (৪৮) ও তার ছেলে সুলেমান দাউদ (১৯), ওশনগেটের শীর্ষ নির্বাহী স্টকটন রাশ (৬১) ও সাবমেরিনটির চালক ও ফরাসি নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা পল হেনরি নারগিওলেট (৭৭)। এই অভিযানে যাওয়ার জন্য প্রত্যেক অভিযাত্রীর মাথাপিছু খরচ হয়েছে আড়াই লাখ ডলার।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
    © ২০২৪ বুড়িগঙ্গা টিভি কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
 
Theme Customized By BreakingNews